বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর কুমকুম আর বেঁচে নেই । ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্নাল ইলাইহে রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। নিবেদিতপ্রাণ এই চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
আলমগীর কুমকুম দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় অসুস্থ ছিলেন। সোমবার সকালে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠায় তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে আলমগীর কুমকুমের মরদেহ রামপুরায় তার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। বাসার পাশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে তার প্রথম নামাজে জানাজা। সেখান থেকে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে বিটিভিতে ও পরে এফডিসিতে। তার দীর্ঘদিনে সহকর্মীরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। আলমগীর কুমকুমের মরদেহ সোমবার রাতে বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে সংরক্ষণ করা হবে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা প্রদর্শণের জন্য তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর তার দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।
আলমগীর কুমকুমের জন্মগ্রহণ করেন ঢাকায় । গত ২২ জানুয়ারি ছিল তার ৬৫ তম জন্মদিন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে চলচ্চিত্রকারের রামপুরা বাসায় দিনটি পালন করা হয়।
ছাত্রজীবন থেকে আলমগীর কুমকুম ছাত্র ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ৬৬’র ছয় দফা ও ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানে তিনি অংশ নেন। একাত্তরে জড়িত ছিলেন স্বাধীন বাংলাবেতার কেন্দ্রে জড়িত ছিলেন। ষাটের দশকের মধ্যভাগে তিনি চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন। সহ-পরিচালক হিসেবে তিনি কাজ করেন ‘চেনা-অচেনা’, ‘রূপবানের রূপকথা’, ‘মধুমালা’ প্রভৃতি ছবিতে। ১৯৬৯ সালে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ ছবির মাধ্যমে আলমগীর কুমকুমের চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এতে অভিনয় করেছিলেন আজিম, কবরী, রাজু আহমেদসহ আরো অনেকে। আলমগীর কুমকুম পরিচালিত চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় ৪০টি। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘আমার জন্মভূমি’, ‘স্মৃতিটুকু থাক’, ‘গুন্ডা’, ‘রাজবন্দী’, ‘কাবিন’, ‘সোনার চেয়ে দামি’,‘রকি’, ‘রাজার রাজা’, ‘অমরসঙ্গী’, ‘জীবন চাবি’ প্রভৃতি।
বরেণ্য এই চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি একসময় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
২টি মন্তব্য:
বরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক আলমগীর কুমকুম আর বেঁচে নেই । ২৭ ফেব্রুয়ারি সোমবার বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে তিনি রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্নালিল্লাহে ওয়াইন্নাল ইলাইহে রাজেউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। নিবেদিতপ্রাণ এই চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
আলমগীর কুমকুম দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় অসুস্থ ছিলেন। সোমবার সকালে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে উঠায় তাকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুপুরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। অ্যাপোলো হাসপাতাল থেকে আলমগীর কুমকুমের মরদেহ রামপুরায় তার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। বাসার পাশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে তার প্রথম নামাজে জানাজা। সেখান থেকে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় প্রথমে বিটিভিতে ও পরে এফডিসিতে। তার দীর্ঘদিনে সহকর্মীরা তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে। আলমগীর কুমকুমের মরদেহ সোমবার রাতে বারডেম হাসপাতালের হিমাগারে সংরক্ষণ করা হবে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা প্রদর্শণের জন্য তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এরপর তার দাফন করা হবে বনানী কবরস্থানে।
আলমগীর কুমকুমের জন্মগ্রহণ করেন ঢাকায় । গত ২২ জানুয়ারি ছিল তার ৬৫ তম জন্মদিন। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষ থেকে চলচ্চিত্রকারের রামপুরা বাসায় দিনটি পালন করা হয়।
ছাত্রজীবন থেকে আলমগীর কুমকুম ছাত্র ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ৬৬’র ছয় দফা ও ৬৯’র গণঅভ্যুত্থানে তিনি অংশ নেন। একাত্তরে জড়িত ছিলেন স্বাধীন বাংলাবেতার কেন্দ্রে জড়িত ছিলেন। ষাটের দশকের মধ্যভাগে তিনি চলচ্চিত্রের সঙ্গে যুক্ত হন। সহ-পরিচালক হিসেবে তিনি কাজ করেন ‘চেনা-অচেনা’, ‘রূপবানের রূপকথা’, ‘মধুমালা’ প্রভৃতি ছবিতে। ১৯৬৯ সালে ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ ছবির মাধ্যমে আলমগীর কুমকুমের চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এতে অভিনয় করেছিলেন আজিম, কবরী, রাজু আহমেদসহ আরো অনেকে। আলমগীর কুমকুম পরিচালিত চলচ্চিত্রের সংখ্যা প্রায় ৪০টি। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘আমার জন্মভূমি’, ‘স্মৃতিটুকু থাক’, ‘গুন্ডা’, ‘রাজবন্দী’, ‘কাবিন’, ‘সোনার চেয়ে দামি’,‘রকি’, ‘রাজার রাজা’, ‘অমরসঙ্গী’, ‘জীবন চাবি’ প্রভৃতি।
বরেণ্য এই চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক। তিনি একসময় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি হিসেবে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক জগতে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
আমরা সকাহাত
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন