সোমবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৩
এসডোর গবেষণা প্রতিবেদন বাংলাদেশে শোভাবর্ধনকারী রং এ অধিক মাত্রার সীসা রয়েছে
মামুনুর রশীদ নোমানী, বরিশাল অফিস ঃ বাসবাড়ীতে ব্যবহৃত শোভাবর্ধনকারী রং এ এখনও অধিক মাত্রার সীসা রয়েছে, যা পরিবেশ ও জনস্বা¯ে’্যর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। গতকাল শনিবার ঢাকায় প্রকাশিত এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোসাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন-এসডোর এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এসডোর সর্বশেষ এই গবেষণায় বলা হয়েছে, রংএ সীসার ব্যবহারের পরিমান আগের তুলনায় অনেক কমেছে। রিপোর্ট প্রকাশনা অনুষ্ঠানে উপ¯ি’ত বাংলাদেশ পেইন্ট ম্যানুফ্যাকচারার আসোসিয়েশন (বিপিএম), এসডোর এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে পর্যায়ক্রমে রং উৎপাদনে সীসার ব্যবহার কমিয়ে ফেলার ব্যাপারে অঙ্গীকার ব্যক্ত করে। তারা এই কার্যক্রমকে সফল করতে রং-এ ব্যবহৃত লেড পিগমেন্ট আমদানি ও বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞার দাবি জনান।পরীক্ষাকৃত রংয়ের নমুনাগুলোতে গড় সীসার পরিমাণ ১১, ৯০০ পিপিএম। শতকরা ২৮ ভাগ রংয়ে ১০,০০০ পিপিএম এর উপরে সীসা রয়েছে। সর্বোচ্চ পরিমাণ সীসা পাওয়া গিয়েছে ১,২৩,০০০ পিপিএম, যা বিপদ সীমার, অর্থাৎ ৯০ পিপিএম, থেকে প্রায় ১,৩০০ গুণ বেশি। শতকরা ২৯ ভাগ রংয়ে ৯০ পিপিএম এর নিচে সীসা রয়েছে।গতকাল ডাব্লিউ ভি এ মিলনায়তনে, বাংলাদেশে হাউসহোল্ড এনামেল পেইন্টে সীসা শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। প্রকাশনা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন সাবেক সচিব ও এসডোর চেয়ারপারসন সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপ¯ি’ত ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব, ড. নূরুল কাদির। অনুষ্ঠানে গবেষণা প্রতিবেদটি উপ¯’াপন করেন, এসডোর মহাসচিব ড. হোসেন শাহরিয়ার। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথ এর অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নকীব আহসান দেওয়ান, প্রেসিডেন্ট মিস্ রুপালী চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুর রহমান, বাংলাদেশ পেইন্ট ম্যানুফ্যাকচারার আসোসিয়েশন। এ সম্পর্কে এসডোর চেয়ারম্যান মার্গুব মোর্শেদ বলেন, “বাংলাদেশের অনেক রং কোম্পানি সীসামুক্ত রং সমর্থন করে, কিন্তু যথাযথ আইনের বাস্তবায়নের সুযোগ খুবই সীমিত। এর ফলে সবচেয়ে বেশি ঝুকির সমুখ্খীন হচ্ছে শিশুরা।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)



কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন